সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ০৪:৫৮ অপরাহ্ন
বিনোদন ডেস্ক:
তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করেছেন দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা থালাপাতি বিজয়। বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রাক্তন প্রেমিকা অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানের সঙ্গে তার নাম জড়িয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনে বিজয়ের ঐতিহাসিক জয়ের পর তৃষার বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস এ আলোচনায় ঘি ঢেলেছে। বিজয়-তৃষার সম্পর্ক, বিজয়ের ক্ষমতার স্থায়ীত্ব নিয়ে এবার বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন জ্যোতিষী বেনু স্বামী।
জ্যোতিষী বেনু স্বামী বলেন, “অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানের গ্রহগত প্রভাবের সঙ্গে থালাপাতি বিজয়ের রাশিফল গভীরভাবে যুক্ত। বিজয়ের জীবনে যদি তৃষা না থাকতেন, তাহলে তামিলনাড়ুতে তার রাজনৈতিক সাফল্য সম্পূর্ণ ভিন্ন হতে পারত।”
তামিলনাড়ুর রাজনীতি নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন জ্যোতিষী বেনু স্বামী। মুখ্যমন্ত্রী থালাপাতি বিজয়ের ক্ষমতার স্থায়ীত্ব নিয়ে এ জ্যোতিষী বলেন, “থালাপাতি বিজয় মুখ্যমন্ত্রী হলেও তার সরকার খুব অল্প সময়ের মধ্যে অস্থিরতার মুখে পড়তে পারে। আগামী ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যেই তামিলনাড়ুতে আবারো নির্বাচন হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।”
থালাপাতি বিজয় ও তৃষা কৃষ্ণানের সম্পর্ক নিয়ে জ্যোতিষী বেনু স্বামী বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। এ জুটির সম্পর্ককে ‘একনাড়ি কম্বিনেশন’ বলে মন্তব্য করেছেন। জ্যোতিষশাস্ত্রে একনাড়ি কম্বিনেশন হলো—“বর-কনের জন্ম নক্ষত্র যখন একই নাড়ির অন্তর্গত হয়, তখন তাকে একনাড়ি কম্বিনেশন বা নাড়ি দোষ বলা হয়।”
এ বিষয়ে জ্যোতিষী বেনু স্বামী বলেন, “বিজয়-তৃষার এই যোগ একদিকে যেমন বিশাল সাফল্য এনে দিতে পারে, তেমনই অপ্রত্যাশিত সমস্যাও তৈরি করতে পারে।”
ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে অভিনেতা থালাপাতি বিজয়ের দল তামিলাগা ভেত্রি কোঝাগম (টিভিকে) ১০৮টি আসন পেয়েছে। বিজয়ের সমর্থকেরা তার রাজনৈতিক সাফল্য উদযাপন করছেন। এ পরিস্থিতিতে বেনু স্বামীর ভবিষ্যদ্বাণী অন্তর্জালে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। কেউ কেউ মনে করছেন—“বেনু স্বামীর আগের ভবিষ্যদ্বাণীগুলো সত্যি হয়েছিল।” অনেকে বলছেন, “এসব মন্তব্য শুধু প্রচারের জন্য করা হচ্ছে।”
থালাপতি বিজয় ব্যক্তিগত জীবনে সংগীতা স্বর্ণালিঙ্গমের সঙ্গে ঘর বেঁধেছেন। কয়েক যুগ পর পরকীয়া প্রেমের অভিযোগে ২৭ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিজয়ের স্ত্রী। এরপর থেকে বিজয়ের পরকীয়া প্রেমিকাকে নিয়ে চর্চা চলছে। বিজয়ের পরকীয়া প্রেমিকা কে তা পরিষ্কারভাবে বলেননি সংগীতা। বিবাহবিচ্ছেদের আবেদনে যেভাবে বর্ণনা করেছেন, তা দেখে নেটিজেনরা দুইয়ে দুইয়ে চার মিলিয়েছেন। তাদের ভাষ্য—“বিজয়ের পরকীয়া প্রেমিকা অন্য কেউ নন, দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণান।”
বিজয়ের সঙ্গে পুনরায় তৃষার নাম জড়ানোর অন্যতম কারণ হলো—তারা প্রাক্তন প্রেমিক-প্রেমিকা। পর্দার বাইরে বাস্তব জীবনে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন তৃষা-বিজয়। এটি ২০০৫ সালের ঘটনা। ‘গিলি’ সিনেমায় কাজ করতে গিয়ে তাদের ঘনিষ্ঠতা বাড়ে বলে গুঞ্জন উঠেছিল। বিষয়টি নিয়ে জলঘোলা কম হয়নি। এই খবর প্রকাশ্যে আসার পর স্ত্রী সংগীতার সঙ্গে বিজয়ের দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। পরবর্তীতে এ সম্পর্ক আর আগায়নি এবং সংসারে মন দেন বিজয়। তবে এ ঘটনার পর অর্থাৎ ২০০৮ সালেও ‘কুরুভি’ সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করেন তারা। এরপর তাদের আর কোনো সিনেমায় একসঙ্গে দেখা যায়নি।
ভয়েস/আআ